CTET জুলাই ২০১৯ – সেন্ট্রাল টিচার এলিজিবিলিটি টেস্ট

সারা ভারত জুড়ে প্রাথমিক ও উচ প্রাথমিক স্তরে শিক্ষক / শিক্ষিকা নিয়োগের প্রবেশিকা পরীক্ষা হলো সিটেট সেন্ট্রাল টিচার এলিজিবিলিটি টেস্ট। বছরে দুবার এই সিটেট পরীক্ষা হয় একবার জুলাই মাসে আর একবার ডিসেম্বর মাসে। NCTE দ্বারা বেঁধে দেওয়া নির্দেশিকা মেনে CTET পরীক্ষা পরিচালনা করে CBSC বোর্ড – সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন, দিল্লী। এই সিটেট পরীক্ষা বিভিন্ন ধরণের সেন্ট্রাল স্কুল (কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়, নবোদয় বিদ্যালয়, কেন্দ্রীয় তিব্বতি বিদ্যালয়) এবং ইউনিয়ন টেরিটরির স্কুলগুলিতে শিক্ষক /শিক্ষিকা নিয়োগের ক্ষেত্রে যোগ্যতামান হিসাবে গণ্য হয়। এছাড়াও সি.বি.এস.সি স্কুলগুলিতে, বিভিন্ন প্রাইভেট স্কুল গুলিতে, রাজ্য সরকার অধীনস্ত স্কুল গুলিতে সিটেট পরীক্ষাকে যোগ্যতামান হিসাবে গুরুত্ব দিতে পারে।

সিটেট জুলাই ২০১৯ এর সময় সূচি

অনলাইন ফর্মফিলাপ শুরু ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৯
অনলাইন ফর্মফিলাপ শেষ হচ্ছে ০৫ মার্চ ২০১৯ (বৈকাল ৫টা)
ফী জমা করার শেষ তারিখ (ই-চালান / ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড)০৮ মার্চ ২০১৯
সিটেট জুলাই ২০১৯ পরীক্ষার তারিখ৭ জুলাই ২০১৯ (রবিবার)

সিটেট পরীক্ষার বিষয়বস্তু

সিটেট পরীক্ষাতে মাল্টিপল চয়েস প্রশ্ন হয়, একটি প্রশ্নের জন্য চারটি অপসন থাকে তার মধ্যে একটি অপসন সবচেয়ে উপযুক্ত, ওই যথোপযুক্ত অপসন বেছে নিয়ে উত্তর দিতে হবে। প্রত্যেকটি প্রশ্নের জন্য ১ নম্বর করে থাকে এবং ভুল উত্তরের জন্য কোনো নেগেটিভ মার্কিং নেই। মূল প্রশ্নপত্র দ্বিভাষিক হবে (হিন্দি/ইংরেজিতে)।

সিটেট পরীক্ষা দুটি পেপার নিয়ে হয়। প্রাথমিক স্তরের এর জন্য পেপার ১ এবং উচ্চ প্রাথমিক স্তরের জন্য পেপার ২। আপনার প্রয়োজন এবং যোগ্যতার নিরিখে যেকোনো একটি বা একসঙ্গে দুটি পেপারের জন্য পরীক্ষা দেওয়ার আবেদন করতে পারেন।

  • পেপার ১ (১-৫) – প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণীতে শিক্ষকতা করার জন্য
  • পেপার ২ (৬-৮) – ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষকতা করার জন্য

যদি কোনো ব্যক্তি যোগ্যতার নিরিখে প্রথম থেকে পঞ্চম এবং ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণী (প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিক) দুটি স্তরেই শিক্ষতা করতে চান তাহলে তাকে পেপার ১ ও পেপার ২ দুটিতেই পরীক্ষা দিতে হবে।

প্রশ্নের বিষয়/বিভাগ : পেপার – ১ : প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণী – (প্রাথমিক বিভাগ)

  1. শিশু উন্নয়ন ও শিক্ষাবিজ্ঞান (বাধ্যতামূলক) : ৩০টি প্রশ্নের জন্য ৩০ নম্বর
  2. ভাষা – ১ (বাধ্যতামূলক) : ৩০টি প্রশ্নের জন্য ৩০ নম্বর
  3. ভাষা – ২ (বাধ্যতামূলক) : ৩০টি প্রশ্নের জন্য ৩০ নম্বর
  4. গণিত : ৩০টি প্রশ্নের জন্য ৩০ নম্বর
  5. পরিবেশ বিদ্যা : ৩০টি প্রশ্নের জন্য ৩০ নম্বর
  • মোট ১৫০টি মাল্টিপল চয়েস প্রশ্নের জন্য ১৫০ নম্বর থাকবে।
  • শিশু উন্নয়ন ও শিক্ষাবিজ্ঞান (বাধ্যতামূলক) বিভাগে ৬ থেকে ১১ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুদের শিক্ষাবিষয়ক মনস্তত্ত্ব সম্পর্কিত প্রশ্ন থাকবে।
  • ভাষা – ১ (বাধ্যতামূলক) বিভাগে শিক্ষার মাধ্যমের ভাষার দক্ষতা যাচাই করা হবে।
  • ভাষা – ২ (বাধ্যতামূলক) বিভাগে ভাষার উপাদান, যোগাযোগ দক্ষতা এবং বোঝার ক্ষমতা যাচাই করা হবে।
  • ভাষা – ১ এবং ভাষা – ২ এর জন্য বেছে নেওয়া ভাষা আলাদা হতে হবে। সিটেট এর ভাষার তালিকাতে রয়েছে ইংরাজি, হিন্দি, অসমীয়া, বাংলা, গারো, গুজরাটি, কান্নারা, খাসি, মালায়লম, মণিপুরী, মারাঠি, মিজো, নেপালি, ওড়িয়া, পাঞ্জাবি, সংস্কৃত, তামিল, তেলেগু, তিব্বতী, উর্দু ইত্যাদি এর মধ্যে থেকে যেকোনো দুটি বেছে নিতে হবে।

প্রশ্নের বিষয়/বিভাগ : পেপার – ২ : ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণী – (উচ্চ প্রাথমিক বিভাগ)

  1. শিশু উন্নয়ন ও শিক্ষাবিজ্ঞান (বাধ্যতামূলক) : ৩০টি প্রশ্নের জন্য ৩০ নম্বর
  2. ভাষা – ১ (বাধ্যতামূলক) : ৩০টি প্রশ্নের জন্য ৩০ নম্বর
  3. ভাষা – ২ (বাধ্যতামূলক) : ৩০টি প্রশ্নের জন্য ৩০ নম্বর
  4. গণিত ও বিজ্ঞান অথবা সামাজিক শিক্ষা/সমাজবিজ্ঞান (যেকোনো একটি) : ৬০টি প্রশ্নের জন্য ৬০ নম্বর
  • মোট ১৫০টি মাল্টিপল চয়েস প্রশ্নের জন্য ১৫০ নম্বর থাকবে ।
  • শিশু উন্নয়ন ও শিক্ষাবিজ্ঞান (বাধ্যতামূলক) বিভাগে ১১ থেকে ১৪ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুদের শিক্ষাবিষয়ক মনস্তত্ত্ব সম্পর্কিত প্রশ্ন থাকবে।
  • ভাষা – ১ (বাধ্যতামূলক) বিভাগে শিক্ষার মাধ্যমের ভাষার দক্ষতা যাচাই করা হবে।
  • ভাষা – ২ (বাধ্যতামূলক) বিভাগে ভাষার উপাদান, যোগাযোগ দক্ষতা এবং বোঝার ক্ষমতা যাচাই করা হবে।
  • ভাষা – ১ এবং ভাষা – ২ এর জন্য বেছে নেওয়া ভাষা আলাদা হতে হবে। সিটেট এর ভাষার তালিকাতে রয়েছে ইংরাজি, হিন্দি, অসমীয়া, বাংলা, গারো,গুজরাটি, কান্নারা, খাসি, মালায়লম, মণিপুরী, মারাঠি, মিজো, নেপালি, ওড়িয়া, পাঞ্জাবি, সংস্কৃত, তামিল, তেলেগু, তিব্বতী, উর্দু ইত্যাদি এর মধ্যে থেকে যেকোনো দুটি বেছে নিতে হবে।

পেপার – ১ : প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণী – (প্রাথমিক বিভাগে) শিক্ষকতা করার জন্য নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতামান (যেকোনো একটি প্রযোজ্য)

  • ৫০% নম্বর পেয়ে সিনিয়র সেকেন্ডারি (অথবা এর সমতুল্য) পাস্ থাকতে হবে সঙ্গে ২ বছরের ডিপ্লোমা ইন এলিমেন্টারি এজুকেশন (যে নামেই পরিচিত হোক না কেন) কোর্স কমপ্লিট করে থাকতে হবে অথবা শেষ বর্ষে পাঠরত থাকলেও হবে।
  • ৪৫% নম্বর পেয়ে সিনিয়র সেকেন্ডারি (অথবা এর সমতুল্য) পাস্ থাকতে হবে সঙ্গে NCTE (Recognition Norms and Procedure), Regulations, 2002 অনুযায়ী ২ বছরের ডিপ্লোমা ইন এলিমেন্টারি এজুকেশন (যে নামেই পরিচিত হোক না কেন) কোর্স কমপ্লিট করে থাকতে হবে অথবা শেষ বর্ষে পাঠরত থাকলেও হবে।
  • ৫০% নম্বর পেয়ে সিনিয়র সেকেন্ডারি (অথবা এর সমতুল্য) পাস্ থাকতে হবে সঙ্গে ৪ বছরের ব্যাচেলর অফ এলিমেন্টারি এজুকেশন (B.El.Ed) কোর্স কমপ্লিট করে থাকতে হবে অথবা শেষ বর্ষে পাঠরত থাকলেও হবে।
  • ৫০% নম্বর পেয়ে সিনিয়র সেকেন্ডারি (অথবা এর সমতুল্য) পাস্ থাকতে হবে সঙ্গে ২ বছরের ডিপ্লোমা ইন এজুকেশন (স্পেশাল এজুকেশন) কোর্স কমপ্লিট করে থাকতে হবে অথবা শেষ বর্ষে পাঠরত থাকলেও হবে*।
  • ৫০% নম্বর পেয়ে গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট থাকতে হবে সঙ্গে NCTE অনুমোদিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ব্যাচেলর অফ এজুকেশন (B.Ed) সম্পন্ন করে থাকতে হবে। (প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণীর – (প্রাথমিক শিক্ষক) হিসাবে চাকুরী পেলে, চাকুরীতে যোগদানের তারিখ থেকে দুই বছরের মধ্যে NCTE অনুমোদিত ৬ মাসের ব্রিজ কোর্স করে নিতে হবে)।

পেপার – ২ : ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণী – (উচ্চ প্রাথমিক বিভাগে) শিক্ষকতা করার জন্য নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতামান (যেকোনো একটি প্রযোজ্য)

  • গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট থাকতে হবে সঙ্গে ২ বছরের ডিপ্লোমা ইন এলিমেন্টারি এজুকেশন (যে নামেই পরিচিত হোক না কেন) কোর্স কমপ্লিট করে থাকতে হবে অথবা শেষ বর্ষে পাঠরত থাকলেও হবে।
  • ৫০% নম্বর পেয়ে গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট থাকতে হবে সঙ্গে ১ বছরের ব্যাচেলর অফ এজুকেশন (B.Ed) সম্পন্ন করে থাকতে হবে অথবা শেষ বর্ষে পাঠরত থাকলেও হবে।
  • ৪৫% নম্বর পেয়ে গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট থাকতে হবে সঙ্গে ১ বছরের ব্যাচেলর অফ এজুকেশন (B.Ed) কোর্স কমপ্লিট করে থাকতে হবে অথবা শেষ বর্ষে পাঠরত থাকলেও হবে, এক্ষেত্রে বিভিন্ন সময় অন্তর ইসু হওয়া NCTE (Recognition Norms and Procedure), Regulations প্রযোজ্য হবে।
  • ৫০% নম্বর পেয়ে সিনিয়র সেকেন্ডারি (অথবা এর সমতুল্য) পাস্ থাকতে হবে সঙ্গে ৪ বছরের ব্যাচেলর ইন এলিমেন্টারি এজুকেশন (B.El.Ed) কোর্স কমপ্লিট করে থাকতে হবে অথবা শেষ বর্ষে পাঠরত থাকলেও হবে।
  • ৫০% নম্বর পেয়ে সিনিয়র সেকেন্ডারি (অথবা এর সমতুল্য) পাস্ থাকতে হবে সঙ্গে ৪ বছরের B.A/B.Sc Ed অথবা B.A.Ed / B.Sc.Ed কোর্স কমপ্লিট করে থাকতে হবে অথবা শেষ বর্ষে পাঠরত থাকলেও হবে।
  • ৫০% নম্বর পেয়ে গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট থাকতে হবে সঙ্গে ১ বছরের ব্যাচেলর অফ এজুকেশন (B.Ed) (স্পেশাল এজুকেশন) সম্পন্ন করে থাকতে হবে অথবা শেষ বর্ষে পাঠরত থাকলেও হবে*।
  • NCTE অনুমোদিত B.Ed কোর্স সম্পন্ন করা যে কোনো প্রার্থী TET/CTET এ অংশগ্রহণ করতে পারবেন। তাছাড়াও, NCTE এর ১১-০২-২০১১ তারিখের প্রচারিত নথি অনুযায়ী বিদ্যমান থাকা TET নির্দেশিকা অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি (যথা প্রযোজ্য NCTE বা RCI স্বীকৃত) ২০/০৮/২০১০ এর বিজ্ঞপ্তিতে উল্লিখিত কোনো প্রকার শিক্ষক শিখন কোর্স করলে তিনি TET/CTET এ অংশগ্রহণ করতে পারবেন

সংরক্ষণের আওতায় থাকা এসসি / এসটি / ওবিসি / বিশেষভাবে সক্ষম প্রার্থীদের নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতার ক্ষেত্রে ৫% নম্বরের ছাড় আছে।

সিটেট এর আবেদন ফী :-

সিটেট জুলাই ২০১৯ পরীক্ষার ফী ই-চালান ও অনলাইন মাধ্যমে জমা করা যাবে। ই-চালান এর মাধ্যমে নির্ধারিত ফী সিন্ডিকেট ব্যাঙ্ক ও কানাড়া ব্যাঙ্ক এর মাধ্যমে জমা করতে হবে। অনলাইন ট্রানজাকশন এর ক্ষেত্রে ডেবিট / ক্রেডিট কার্ড এর মাধ্যমে ফী জমা করা যাবে।

ক্যাটাগরিপেপার ১ অথবা ২পেপার ১ ও ২
জেনারেল / ওবিসি৭০০ টাকা ১২০০ টাকা
এসসি/এটি/ প্রতিবন্ধী৩৫০ টাকা৬০০ টাকা

সিটেট পরীক্ষার সময়

পেপারসময়সূচিসময়কাল
পেপার – ১সকাল ০৯টা ৩০ থেকে ১২টা ২ঘন্টা ৩০মিনিট
পেপার – ২বেলা ২টো থেকে ৪টে ৩০মিনিট২ঘন্টা ৩০মিনিট

সিটেট এর পরীক্ষাকেন্দ্র

সারা ভারতের বিভিন্ন শহর ও শহরতলিতে সিটেট এর পরীক্ষাকেন্দ্র হয়। সিটেট বিজ্ঞপ্তি/ইনফরমেশন বুলেটিন এর Appendix-Ill তে পরীক্ষাকেন্দ্রের শহরগুলির নাম দেওয়া আছে। সিটেট ফর্ম ফিলাপের সময় প্রার্থীকে পরীক্ষাকেন্দ্রের শহরগুলির তিনটি পৃথক অপসন পছন্দ অনুযায়ী বেছে নিতে হবে। সাধারণত ফর্মফিলাপে দেওয়া পছন্দ অনুযায়ী পরীক্ষা কেন্দ্র দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয় তবে কোনো ক্ষেত্রে বোর্ড প্রার্থীর পছন্দের বাইরে ভারতবর্ষের যেকোনো জায়গাতে পরীক্ষার ব্যবস্থা করতে পারে।

সিটেট অ্যাডমিট কার্ড

পরীক্ষা শুরুর বেশ কুছুদিন আগে সিটেট এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে সিটেট এর অ্যাডমিট কার্ড ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে নিতে হবে। অ্যাডমিট কার্ড ডাউনলোড করার সময় সিটেট অনলাইন রেজিস্ট্রেশন/ অ্যাপ্লিকেশন নম্বর ও পাসওয়ার্ড / জন্মতারিখ প্রয়োজন হতে পারে। রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও পাসওয়ার্ড ভুলে গিয়ে থাকলে পুনরুদ্ধারের ব্যবস্থা আছে। অ্যাডমিট কার্ডের সমস্ত তথ্য ভালো করে দেখে নেবেন, যদি কোনো সমস্যা থাকে যেমন ধরুন ছবি ও সই ঠিক না আসে অথবা অন্য কোনো তথ্যে গন্ডগোল থাকে তাহলে থাকে সেটি সমাধানের জন্য সিটেট ইউনিটে যোগাযোগ করবেন। অ্যাডমিট কার্ডে দেওয়া নির্দেশনামা ভালো করে পরে নেবেন তাতে আপনার পরীক্ষা দিতে সুবিধা হবে।

সিটেট পরীক্ষার ও.এম.আর শিট / আনসার কি ও ফলাফল প্রকাশ

পরীক্ষা নেওয়ার পর সিবিএসসি ও.এম.আর শিট / আনসার কি প্রকাশ করে অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে, যার জন্য সমস্ত শীর্ষস্থানীয় সংবাদপত্রে পাবলিক নোটিশ দেওয়া হয় এবং উক্ত নোটিশ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে সিটেট এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করা যায়। কোনো প্রার্থী চাইলে নম্বর গণনাপত্র সহ ও.এম.আর শিট এর ফটোকপি, পেতে পারেন ৫০০ টাকার বিনিময়ে। যেকোনো ন্যাশনালাইজ ব্যাঙ্ক থেকে টাকা জমা করতে হবে ডিমান্ড ড্রাফটের মাধ্যমে, সেক্রেটারি, সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এজুকেশন এর ফেভারে ড্রাফট ইসু করতে হবে আর ড্রাফটি দিল্লিতে পেমেন্ট এর যোগ্য হতে হবে।

সিটেট পরীক্ষার পাস করা ও সিটেট এর সার্টিফিকেট

সিটেট পরীক্ষাতে ৬০% বা তার বেশি স্কোর করলে আপনি পাস বলে বিবেচিত হবেন। পরীক্ষাতে বসা সমস্ত প্রার্থীরা মার্কশীট পাবেন এবং শুধুমাত্র সফল প্রার্থীরা এলিজিবিলিটি সার্টিফিকেট পাবেন। সিটেট এর মার্কশীট / এলিজিবিলিটি সার্টিফিকেট ডিজিটাল ফরম্যাটে নিজের ডিজি-লকার অ্যাকাউন্টে পেয়ে যাবেন যেটিতে ডিজিটাল সিগনেচার করা থাকে, আইটি অ্যাক্ট অনুযায়ী এই ডিজিটাল সিগনেচার করা সার্টিফিকেট আইনগত ভাবে বৈধ।

সিটেট পাস এর সার্টিফিকেট রেজাল্ট প্রকাশের দিন থেকে সাত বছর অবধি বৈধ সমস্ত ক্যাটাগরির প্রার্থীদের ক্ষেত্রে একই নিয়ম। সিটেট পরীক্ষা দেওয়াতে কোনো সীমাবদ্ধতা নেই, একাধিকবার সিটেট পরীক্ষা দেওয়া যেতে পারে এমনকি সিটেট পরীক্ষাতে পাস করার পরেও পরীক্ষা দিতে পারেন পরীক্ষার ফলাফল ভালো করার জন্য বা স্কোর বেশি করার জন্য।

সিটেট এর জন্য আবেদন কিভাবে করবেন

শুধুমাত্র অনলাইন মাধ্যমে সিটেট এর আবেদন করা যাবে। সিটেট এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট এ গিয়ে শেষ তারিখের মধ্যে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে। সিটেট এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট হলো – https://ctet.nic.in

অনলাইনে আবেদন শুরু করার আগে স্ক্যান করা ছবি ও সই, সক্রিয় ইমেল আইডি এবং মোবাইল নং, যেকোনো একটি পরিচয় পত্রের নম্বর (পাসপোর্ট / ভোটার আইডি / রেশন কার্ড / অন্য কোনো সরকারি পরিচয় পত্র / ব্যাঙ্ক একাউন্ট / লাইসেন্স), অনলাইন পেমেন্টের জন্য ডেবিট / ক্রেডিট কার্ড এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার বিবরণ এবং যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন তার বিবরণ ঠিকানার পিন কোড সহ।

বেশ কয়েকটি ধাপে অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে সেগুলি নিচে বর্ণনা করা হলো। আবেদনের জন্য রেজিস্ট্রেশন, অনলাইন অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম পূরণ, স্ক্যান করা ছবি আর সই আপলোড, পরীক্ষার ফী প্রদানকনফার্মেশন পেজ ডাউনলোড। প্রত্যেকটি স্টেপ সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে হবে এবং কনফার্মেশন পেজটি সেভ করে নিজের কাছে রেখে দেবেন।

CTET এর অনলাইন ফর্ম কিভাবে জমা করবেন সেই ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য জানতে এই নিচে দেওয়া লিংকে ক্লিক করুন।