CTET জুলাই ২০১৯ – সেন্ট্রাল টিচার এলিজিবিলিটি টেস্ট

সারা ভারত জুড়ে প্রাথমিক ও উচ প্রাথমিক স্তরে শিক্ষক / শিক্ষিকা নিয়োগের প্রবেশিকা পরীক্ষা হলো সিটেট সেন্ট্রাল টিচার এলিজিবিলিটি টেস্ট। বছরে দুবার এই সিটেট পরীক্ষা হয় একবার জুলাই মাসে আর একবার ডিসেম্বর মাসে। NCTE দ্বারা বেঁধে দেওয়া নির্দেশিকা মেনে CTET পরীক্ষা পরিচালনা করে CBSC বোর্ড – সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন, দিল্লী। এই সিটেট পরীক্ষা বিভিন্ন ধরণের সেন্ট্রাল স্কুল (কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়, নবোদয় বিদ্যালয়, কেন্দ্রীয় তিব্বতি বিদ্যালয়) এবং ইউনিয়ন টেরিটরির স্কুলগুলিতে শিক্ষক /শিক্ষিকা নিয়োগের ক্ষেত্রে যোগ্যতামান হিসাবে গণ্য হয়। এছাড়াও সি.বি.এস.সি স্কুলগুলিতে, বিভিন্ন প্রাইভেট স্কুল গুলিতে, রাজ্য সরকার অধীনস্ত স্কুল গুলিতে সিটেট পরীক্ষাকে যোগ্যতামান হিসাবে গুরুত্ব দিতে পারে।

সিটেট জুলাই ২০১৯ এর সময় সূচি

অনলাইন ফর্মফিলাপ শুরু ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০১৯
অনলাইন ফর্মফিলাপ শেষ হচ্ছে ০৫ মার্চ ২০১৯ (বৈকাল ৫টা)
ফী জমা করার শেষ তারিখ (ই-চালান / ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড)০৮ মার্চ ২০১৯
সিটেট জুলাই ২০১৯ পরীক্ষার তারিখ৭ জুলাই ২০১৯ (রবিবার)

সিটেট পরীক্ষার বিষয়বস্তু

সিটেট পরীক্ষাতে মাল্টিপল চয়েস প্রশ্ন হয়, একটি প্রশ্নের জন্য চারটি অপসন থাকে তার মধ্যে একটি অপসন সবচেয়ে উপযুক্ত, ওই যথোপযুক্ত অপসন বেছে নিয়ে উত্তর দিতে হবে। প্রত্যেকটি প্রশ্নের জন্য ১ নম্বর করে থাকে এবং ভুল উত্তরের জন্য কোনো নেগেটিভ মার্কিং নেই। মূল প্রশ্নপত্র দ্বিভাষিক হবে (হিন্দি/ইংরেজিতে)।

সিটেট পরীক্ষা দুটি পেপার নিয়ে হয়। প্রাথমিক স্তরের এর জন্য পেপার ১ এবং উচ্চ প্রাথমিক স্তরের জন্য পেপার ২। আপনার প্রয়োজন এবং যোগ্যতার নিরিখে যেকোনো একটি বা একসঙ্গে দুটি পেপারের জন্য পরীক্ষা দেওয়ার আবেদন করতে পারেন।

  • পেপার ১ (১-৫) – প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণীতে শিক্ষকতা করার জন্য
  • পেপার ২ (৬-৮) – ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষকতা করার জন্য

যদি কোনো ব্যক্তি যোগ্যতার নিরিখে প্রথম থেকে পঞ্চম এবং ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণী (প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিক) দুটি স্তরেই শিক্ষতা করতে চান তাহলে তাকে পেপার ১ ও পেপার ২ দুটিতেই পরীক্ষা দিতে হবে।

প্রশ্নের বিষয়/বিভাগ : পেপার – ১ : প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণী – (প্রাথমিক বিভাগ)

  1. শিশু উন্নয়ন ও শিক্ষাবিজ্ঞান (বাধ্যতামূলক) : ৩০টি প্রশ্নের জন্য ৩০ নম্বর
  2. ভাষা – ১ (বাধ্যতামূলক) : ৩০টি প্রশ্নের জন্য ৩০ নম্বর
  3. ভাষা – ২ (বাধ্যতামূলক) : ৩০টি প্রশ্নের জন্য ৩০ নম্বর
  4. গণিত : ৩০টি প্রশ্নের জন্য ৩০ নম্বর
  5. পরিবেশ বিদ্যা : ৩০টি প্রশ্নের জন্য ৩০ নম্বর
  • মোট ১৫০টি মাল্টিপল চয়েস প্রশ্নের জন্য ১৫০ নম্বর থাকবে।
  • শিশু উন্নয়ন ও শিক্ষাবিজ্ঞান (বাধ্যতামূলক) বিভাগে ৬ থেকে ১১ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুদের শিক্ষাবিষয়ক মনস্তত্ত্ব সম্পর্কিত প্রশ্ন থাকবে।
  • ভাষা – ১ (বাধ্যতামূলক) বিভাগে শিক্ষার মাধ্যমের ভাষার দক্ষতা যাচাই করা হবে।
  • ভাষা – ২ (বাধ্যতামূলক) বিভাগে ভাষার উপাদান, যোগাযোগ দক্ষতা এবং বোঝার ক্ষমতা যাচাই করা হবে।
  • ভাষা – ১ এবং ভাষা – ২ এর জন্য বেছে নেওয়া ভাষা আলাদা হতে হবে। সিটেট এর ভাষার তালিকাতে রয়েছে ইংরাজি, হিন্দি, অসমীয়া, বাংলা, গারো, গুজরাটি, কান্নারা, খাসি, মালায়লম, মণিপুরী, মারাঠি, মিজো, নেপালি, ওড়িয়া, পাঞ্জাবি, সংস্কৃত, তামিল, তেলেগু, তিব্বতী, উর্দু ইত্যাদি এর মধ্যে থেকে যেকোনো দুটি বেছে নিতে হবে।

প্রশ্নের বিষয়/বিভাগ : পেপার – ২ : ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণী – (উচ্চ প্রাথমিক বিভাগ)

  1. শিশু উন্নয়ন ও শিক্ষাবিজ্ঞান (বাধ্যতামূলক) : ৩০টি প্রশ্নের জন্য ৩০ নম্বর
  2. ভাষা – ১ (বাধ্যতামূলক) : ৩০টি প্রশ্নের জন্য ৩০ নম্বর
  3. ভাষা – ২ (বাধ্যতামূলক) : ৩০টি প্রশ্নের জন্য ৩০ নম্বর
  4. গণিত ও বিজ্ঞান অথবা সামাজিক শিক্ষা/সমাজবিজ্ঞান (যেকোনো একটি) : ৬০টি প্রশ্নের জন্য ৬০ নম্বর
  • মোট ১৫০টি মাল্টিপল চয়েস প্রশ্নের জন্য ১৫০ নম্বর থাকবে ।
  • শিশু উন্নয়ন ও শিক্ষাবিজ্ঞান (বাধ্যতামূলক) বিভাগে ১১ থেকে ১৪ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুদের শিক্ষাবিষয়ক মনস্তত্ত্ব সম্পর্কিত প্রশ্ন থাকবে।
  • ভাষা – ১ (বাধ্যতামূলক) বিভাগে শিক্ষার মাধ্যমের ভাষার দক্ষতা যাচাই করা হবে।
  • ভাষা – ২ (বাধ্যতামূলক) বিভাগে ভাষার উপাদান, যোগাযোগ দক্ষতা এবং বোঝার ক্ষমতা যাচাই করা হবে।
  • ভাষা – ১ এবং ভাষা – ২ এর জন্য বেছে নেওয়া ভাষা আলাদা হতে হবে। সিটেট এর ভাষার তালিকাতে রয়েছে ইংরাজি, হিন্দি, অসমীয়া, বাংলা, গারো,গুজরাটি, কান্নারা, খাসি, মালায়লম, মণিপুরী, মারাঠি, মিজো, নেপালি, ওড়িয়া, পাঞ্জাবি, সংস্কৃত, তামিল, তেলেগু, তিব্বতী, উর্দু ইত্যাদি এর মধ্যে থেকে যেকোনো দুটি বেছে নিতে হবে।

পেপার – ১ : প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণী – (প্রাথমিক বিভাগে) শিক্ষকতা করার জন্য নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতামান (যেকোনো একটি প্রযোজ্য)

  • ৫০% নম্বর পেয়ে সিনিয়র সেকেন্ডারি (অথবা এর সমতুল্য) পাস্ থাকতে হবে সঙ্গে ২ বছরের ডিপ্লোমা ইন এলিমেন্টারি এজুকেশন (যে নামেই পরিচিত হোক না কেন) কোর্স কমপ্লিট করে থাকতে হবে অথবা শেষ বর্ষে পাঠরত থাকলেও হবে।
  • ৪৫% নম্বর পেয়ে সিনিয়র সেকেন্ডারি (অথবা এর সমতুল্য) পাস্ থাকতে হবে সঙ্গে NCTE (Recognition Norms and Procedure), Regulations, 2002 অনুযায়ী ২ বছরের ডিপ্লোমা ইন এলিমেন্টারি এজুকেশন (যে নামেই পরিচিত হোক না কেন) কোর্স কমপ্লিট করে থাকতে হবে অথবা শেষ বর্ষে পাঠরত থাকলেও হবে।
  • ৫০% নম্বর পেয়ে সিনিয়র সেকেন্ডারি (অথবা এর সমতুল্য) পাস্ থাকতে হবে সঙ্গে ৪ বছরের ব্যাচেলর অফ এলিমেন্টারি এজুকেশন (B.El.Ed) কোর্স কমপ্লিট করে থাকতে হবে অথবা শেষ বর্ষে পাঠরত থাকলেও হবে।
  • ৫০% নম্বর পেয়ে সিনিয়র সেকেন্ডারি (অথবা এর সমতুল্য) পাস্ থাকতে হবে সঙ্গে ২ বছরের ডিপ্লোমা ইন এজুকেশন (স্পেশাল এজুকেশন) কোর্স কমপ্লিট করে থাকতে হবে অথবা শেষ বর্ষে পাঠরত থাকলেও হবে*।
  • ৫০% নম্বর পেয়ে গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট থাকতে হবে সঙ্গে NCTE অনুমোদিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ব্যাচেলর অফ এজুকেশন (B.Ed) সম্পন্ন করে থাকতে হবে। (প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণীর – (প্রাথমিক শিক্ষক) হিসাবে চাকুরী পেলে, চাকুরীতে যোগদানের তারিখ থেকে দুই বছরের মধ্যে NCTE অনুমোদিত ৬ মাসের ব্রিজ কোর্স করে নিতে হবে)।

পেপার – ২ : ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণী – (উচ্চ প্রাথমিক বিভাগে) শিক্ষকতা করার জন্য নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতামান (যেকোনো একটি প্রযোজ্য)

  • গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট থাকতে হবে সঙ্গে ২ বছরের ডিপ্লোমা ইন এলিমেন্টারি এজুকেশন (যে নামেই পরিচিত হোক না কেন) কোর্স কমপ্লিট করে থাকতে হবে অথবা শেষ বর্ষে পাঠরত থাকলেও হবে।
  • ৫০% নম্বর পেয়ে গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট থাকতে হবে সঙ্গে ১ বছরের ব্যাচেলর অফ এজুকেশন (B.Ed) সম্পন্ন করে থাকতে হবে অথবা শেষ বর্ষে পাঠরত থাকলেও হবে।
  • ৪৫% নম্বর পেয়ে গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট থাকতে হবে সঙ্গে ১ বছরের ব্যাচেলর অফ এজুকেশন (B.Ed) কোর্স কমপ্লিট করে থাকতে হবে অথবা শেষ বর্ষে পাঠরত থাকলেও হবে, এক্ষেত্রে বিভিন্ন সময় অন্তর ইসু হওয়া NCTE (Recognition Norms and Procedure), Regulations প্রযোজ্য হবে।
  • ৫০% নম্বর পেয়ে সিনিয়র সেকেন্ডারি (অথবা এর সমতুল্য) পাস্ থাকতে হবে সঙ্গে ৪ বছরের ব্যাচেলর ইন এলিমেন্টারি এজুকেশন (B.El.Ed) কোর্স কমপ্লিট করে থাকতে হবে অথবা শেষ বর্ষে পাঠরত থাকলেও হবে।
  • ৫০% নম্বর পেয়ে সিনিয়র সেকেন্ডারি (অথবা এর সমতুল্য) পাস্ থাকতে হবে সঙ্গে ৪ বছরের B.A/B.Sc Ed অথবা B.A.Ed / B.Sc.Ed কোর্স কমপ্লিট করে থাকতে হবে অথবা শেষ বর্ষে পাঠরত থাকলেও হবে।
  • ৫০% নম্বর পেয়ে গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট থাকতে হবে সঙ্গে ১ বছরের ব্যাচেলর অফ এজুকেশন (B.Ed) (স্পেশাল এজুকেশন) সম্পন্ন করে থাকতে হবে অথবা শেষ বর্ষে পাঠরত থাকলেও হবে*।
  • NCTE অনুমোদিত B.Ed কোর্স সম্পন্ন করা যে কোনো প্রার্থী TET/CTET এ অংশগ্রহণ করতে পারবেন। তাছাড়াও, NCTE এর ১১-০২-২০১১ তারিখের প্রচারিত নথি অনুযায়ী বিদ্যমান থাকা TET নির্দেশিকা অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি (যথা প্রযোজ্য NCTE বা RCI স্বীকৃত) ২০/০৮/২০১০ এর বিজ্ঞপ্তিতে উল্লিখিত কোনো প্রকার শিক্ষক শিখন কোর্স করলে তিনি TET/CTET এ অংশগ্রহণ করতে পারবেন

সংরক্ষণের আওতায় থাকা এসসি / এসটি / ওবিসি / বিশেষভাবে সক্ষম প্রার্থীদের নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতার ক্ষেত্রে ৫% নম্বরের ছাড় আছে।

সিটেট এর আবেদন ফী :-

সিটেট জুলাই ২০১৯ পরীক্ষার ফী ই-চালান ও অনলাইন মাধ্যমে জমা করা যাবে। ই-চালান এর মাধ্যমে নির্ধারিত ফী সিন্ডিকেট ব্যাঙ্ক ও কানাড়া ব্যাঙ্ক এর মাধ্যমে জমা করতে হবে। অনলাইন ট্রানজাকশন এর ক্ষেত্রে ডেবিট / ক্রেডিট কার্ড এর মাধ্যমে ফী জমা করা যাবে।

ক্যাটাগরিপেপার ১ অথবা ২পেপার ১ ও ২
জেনারেল / ওবিসি৭০০ টাকা ১২০০ টাকা
এসসি/এটি/ প্রতিবন্ধী৩৫০ টাকা৬০০ টাকা

সিটেট পরীক্ষার সময়

পেপারসময়সূচিসময়কাল
পেপার – ১সকাল ০৯টা ৩০ থেকে ১২টা ২ঘন্টা ৩০মিনিট
পেপার – ২বেলা ২টো থেকে ৪টে ৩০মিনিট২ঘন্টা ৩০মিনিট

সিটেট এর পরীক্ষাকেন্দ্র

সারা ভারতের বিভিন্ন শহর ও শহরতলিতে সিটেট এর পরীক্ষাকেন্দ্র হয়। সিটেট বিজ্ঞপ্তি/ইনফরমেশন বুলেটিন এর Appendix-Ill তে পরীক্ষাকেন্দ্রের শহরগুলির নাম দেওয়া আছে। সিটেট ফর্ম ফিলাপের সময় প্রার্থীকে পরীক্ষাকেন্দ্রের শহরগুলির তিনটি পৃথক অপসন পছন্দ অনুযায়ী বেছে নিতে হবে। সাধারণত ফর্মফিলাপে দেওয়া পছন্দ অনুযায়ী পরীক্ষা কেন্দ্র দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয় তবে কোনো ক্ষেত্রে বোর্ড প্রার্থীর পছন্দের বাইরে ভারতবর্ষের যেকোনো জায়গাতে পরীক্ষার ব্যবস্থা করতে পারে।

সিটেট অ্যাডমিট কার্ড

পরীক্ষা শুরুর বেশ কুছুদিন আগে সিটেট এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে সিটেট এর অ্যাডমিট কার্ড ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে নিতে হবে। অ্যাডমিট কার্ড ডাউনলোড করার সময় সিটেট অনলাইন রেজিস্ট্রেশন/ অ্যাপ্লিকেশন নম্বর ও পাসওয়ার্ড / জন্মতারিখ প্রয়োজন হতে পারে। রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও পাসওয়ার্ড ভুলে গিয়ে থাকলে পুনরুদ্ধারের ব্যবস্থা আছে। অ্যাডমিট কার্ডের সমস্ত তথ্য ভালো করে দেখে নেবেন, যদি কোনো সমস্যা থাকে যেমন ধরুন ছবি ও সই ঠিক না আসে অথবা অন্য কোনো তথ্যে গন্ডগোল থাকে তাহলে থাকে সেটি সমাধানের জন্য সিটেট ইউনিটে যোগাযোগ করবেন। অ্যাডমিট কার্ডে দেওয়া নির্দেশনামা ভালো করে পরে নেবেন তাতে আপনার পরীক্ষা দিতে সুবিধা হবে।

সিটেট পরীক্ষার ও.এম.আর শিট / আনসার কি ও ফলাফল প্রকাশ

পরীক্ষা নেওয়ার পর সিবিএসসি ও.এম.আর শিট / আনসার কি প্রকাশ করে অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে, যার জন্য সমস্ত শীর্ষস্থানীয় সংবাদপত্রে পাবলিক নোটিশ দেওয়া হয় এবং উক্ত নোটিশ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে সিটেট এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করা যায়। কোনো প্রার্থী চাইলে নম্বর গণনাপত্র সহ ও.এম.আর শিট এর ফটোকপি, পেতে পারেন ৫০০ টাকার বিনিময়ে। যেকোনো ন্যাশনালাইজ ব্যাঙ্ক থেকে টাকা জমা করতে হবে ডিমান্ড ড্রাফটের মাধ্যমে, সেক্রেটারি, সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এজুকেশন এর ফেভারে ড্রাফট ইসু করতে হবে আর ড্রাফটি দিল্লিতে পেমেন্ট এর যোগ্য হতে হবে।

সিটেট পরীক্ষার পাস করা ও সিটেট এর সার্টিফিকেট

সিটেট পরীক্ষাতে ৬০% বা তার বেশি স্কোর করলে আপনি পাস বলে বিবেচিত হবেন। পরীক্ষাতে বসা সমস্ত প্রার্থীরা মার্কশীট পাবেন এবং শুধুমাত্র সফল প্রার্থীরা এলিজিবিলিটি সার্টিফিকেট পাবেন। সিটেট এর মার্কশীট / এলিজিবিলিটি সার্টিফিকেট ডিজিটাল ফরম্যাটে নিজের ডিজি-লকার অ্যাকাউন্টে পেয়ে যাবেন যেটিতে ডিজিটাল সিগনেচার করা থাকে, আইটি অ্যাক্ট অনুযায়ী এই ডিজিটাল সিগনেচার করা সার্টিফিকেট আইনগত ভাবে বৈধ।

সিটেট পাস এর সার্টিফিকেট রেজাল্ট প্রকাশের দিন থেকে সাত বছর অবধি বৈধ সমস্ত ক্যাটাগরির প্রার্থীদের ক্ষেত্রে একই নিয়ম। সিটেট পরীক্ষা দেওয়াতে কোনো সীমাবদ্ধতা নেই, একাধিকবার সিটেট পরীক্ষা দেওয়া যেতে পারে এমনকি সিটেট পরীক্ষাতে পাস করার পরেও পরীক্ষা দিতে পারেন পরীক্ষার ফলাফল ভালো করার জন্য বা স্কোর বেশি করার জন্য।

সিটেট এর জন্য আবেদন কিভাবে করবেন

শুধুমাত্র অনলাইন মাধ্যমে সিটেট এর আবেদন করা যাবে। সিটেট এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট এ গিয়ে শেষ তারিখের মধ্যে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে। সিটেট এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট হলো – https://ctet.nic.in

অনলাইনে আবেদন শুরু করার আগে স্ক্যান করা ছবি ও সই, সক্রিয় ইমেল আইডি এবং মোবাইল নং, যেকোনো একটি পরিচয় পত্রের নম্বর (পাসপোর্ট / ভোটার আইডি / রেশন কার্ড / অন্য কোনো সরকারি পরিচয় পত্র / ব্যাঙ্ক একাউন্ট / লাইসেন্স), অনলাইন পেমেন্টের জন্য ডেবিট / ক্রেডিট কার্ড এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার বিবরণ এবং যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন তার বিবরণ ঠিকানার পিন কোড সহ।

বেশ কয়েকটি ধাপে অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে সেগুলি নিচে বর্ণনা করা হলো। আবেদনের জন্য রেজিস্ট্রেশন, অনলাইন অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম পূরণ, স্ক্যান করা ছবি আর সই আপলোড, পরীক্ষার ফী প্রদানকনফার্মেশন পেজ ডাউনলোড। প্রত্যেকটি স্টেপ সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে হবে এবং কনফার্মেশন পেজটি সেভ করে নিজের কাছে রেখে দেবেন।

CTET এর অনলাইন ফর্ম কিভাবে জমা করবেন সেই ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য জানতে এই নিচে দেওয়া লিংকে ক্লিক করুন।

CTET অনলাইন অ্যাপ্লিকেশন – ctet.nic.in

সিটেট এর আবেদন শুধুমাত্র অনলাইন মাধ্যমে করা যাবে। সিটেট এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট এ গিয়ে নির্ধারিত তারিখের মধ্যে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে। সিটেট এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট হলো – https://ctet.nic.in অনলাইনে আবেদন শুরু করার আগে বেশ কিছু জিনিস প্রস্তুত করে রাখলে ফর্ম ফিলাপ করতে সুবিধা হবে, সেগুলি নিচে বলে দেওয়া হলো।

  • স্ক্যান করা ছবি ও সই।
  • সক্রিয় ইমেল আইডি এবং মোবাইল নং (ওটিপি ভেরিফিকেশন হবে)।
  • আইডি নম্বর যেকোনো একটি ডকুমেন্টের (পাসপোর্ট / ভোটার আইডি / রেশন কার্ড / অন্য কোনো সরকারি পরিচয় পত্র / ব্যাঙ্ক একাউন্ট / লাইসেন্স)।
  • অনলাইন পেমেন্টের জন্য ডেবিট / ক্রেডিট কার্ড, এবং ওটিপি এর জন্য ব্যাঙ্ক এর সাথে যুক্ত মোবাইল।
  • শিক্ষাগত যোগ্যতার বিবরণ এবং যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন তার বিবরণ ঠিকানার পিন কোড সহ।

বেশ কয়েকটি ধাপে অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে সেগুলি নিচে বর্ণনা করা হলো।

আবেদনের জন্য রেজিস্ট্রেশন

সিটেট এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট খুলে হোমপেজে থাকা “Fill Online Application Form for CTET July 2019” অপশনে ক্লিক করুন। এখন বাঁ দিকে নতুন ক্যান্ডিডেট রেজিস্ট্রেশনের জন্য এপলাই তে ক্লিক করুন। নির্দেশনাগুলিতে চোখ বুলিয়েনিন এবং নিচের চেকবক্সে টিক্ মার্ক দিয়ে “Click Here to Proceed” এ ক্লিক করুন।

এবারে পার্সোনাল ডিটেলস সেক্শনে আবেদনকারীর নাম, পিতার নাম, মাতার নাম, জন্ম তারিখ, পরিচয় পত্রের নম্বর, লিঙ্গ ইত্যাদি তথ্য পূরণ করুন। এরপরে কন্টাক্ট ডিটেলস সেক্শনে পিনকোড সহ সম্পূর্ণ ঠিকানা এবং ইমেল আইডি ও মোবাইল নম্বর উল্লেখ করুন। এর পর পাসওয়ার্ড সেট করতে হবে এবং সিকিউরিটি প্রশ্নোত্তর সেট করতে হবে। খেয়াল রাখবেন পাসওয়ার্ড যেন ৮ থেকে ১৩ অক্ষরের এর মধ্যে হয়। পাসওয়ার্ড এর মধ্যে যেন একটি বড় হাতের অক্ষর, একটি ছোটোহাতের অক্ষর, একটি নম্বর এবং !@#$%^&*- এর মধ্যে একটি স্পেশাল ক্যারেক্টার অবশ্য থাকে, না হলে নেবে না। আর সিকিউরিটি প্রশ্নের মধ্যে থেকে বেছে নিয়ে পাশে উত্তরের জায়গায় আপনার পছন্দমতো উত্তর লিখে দিতে হবে। পরে আপনি যদি কোনো রেজিস্ট্রেশন নং বা পাসওয়ার্ড ভুলে গিয়ে থাকেন তাহলে এই সিকিউরিটি প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে সেটি পুনরুদ্ধার করা যাবে, প্রসঙ্গত মনে রাখতে হবে যে ফর্মফিলাপের সময় দেওয়া প্রশ্নোত্তর মিললেই আইডি বা পাসওয়ার্ড পুনরুদ্ধার সম্পন্ন হবে। সব পূরণ হয়ে গেলে শেষমেশ সাবমিট বাটনে ক্লিক করুন।

এবারে আপনাকে সমস্ত তথ্য যত্নসহকারে মিলিয়ে নিতে হবে এবং “Parameters checklist to be verified” সেক্শনে সমস্ত চেকবক্সে টিক্ মার্ক দিতে হবে। শেষে ডিক্লারেশনের “I Agree” অপশনে টিক্ মার্ক দিয়ে ফাইনাল সাবমিটে ক্লিক করুন। আপনাকে জানতে চাওয়া হবে যে “Do you wish to submit Registration Form finally ?” এখানে আপনাকে ইয়েস করে সম্মতি জানাতে হবে। আপনার দেওয়া তথ্য সার্ভারে জমা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আপনার সিটেট এর রেজিস্ট্রেশন নম্বর / অ্যাপ্লিকেশন নম্বর তৈরী হয়ে যাবে এবং আপনার ক্যান্ডিডেট ড্যাশবোর্ডে অটো লগইন হয়ে যাবে।

অনলাইন অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম পূরণ

এখন আপনাকে সিটেট ফর্মের বাকি অংশটুকু পূরণ করতে হবে। স্ক্রিনের মধ্যখানে আপনি অ্যাপ্লিকেশন নম্বর দেখতে পাবেন, ঠিক তার নিচেই থাকা কমপ্লিট অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম বাটনে ক্লিক করুন বাকি ফর্ম পূরণের জন্য। এখানে কিছু এন্ট্রি আগে থেকেই দেওয়া থাকবে, বাকিটা পূরণ করতে হবে। পার্সোনাল ডিটেলস সেকশনে জেন্ডার উল্লেখ করবেন, পারসন উইথ ডিসেবিলিটি তে শারীরিক অক্ষমতা কথা উল্লেখ করতে হবে। জাতীয়তা ড্রপডাউন মেনু থেকে বেছে নেবেন। এবারে আপনাকে ল্যাঙ্গুয়েজে ১ এবং ল্যাঙ্গুয়েজে ২ এর জন্য দুটি আলাদা ভাষা বেছে নিতে হবে। এমপ্লয়মেন্ট স্ট্যাটাসে আপনার কর্মসংস্থানের অবস্থা জানাতে হবে, এখানে রয়েছে Not Employed (কর্মরত নয়), Employed as Teacher (শিক্ষক হিসাবে কর্মরত), Employed other than Teacher (শিক্ষক নন এমন পদে কর্মরত)।

অ্যাপ্লাই ফর সেকশনে কোন পেপারের জন্য আবেদন করছেন সেটি উল্লেখ করতে হবে। আপনি Paper – I ও Paper – II এর মধ্যে যেকোনো একটি বেছে নিতে পারেন আবার দুটি পেপার একসাথে দিতে চাইলে “Both Paper – I ও Paper – II” অপসন বেছে নেবেন। এরপর কোন যোগ্যতার নিরিখে আপনি কোন পেপারের পরীক্ষা দিচ্ছেন সেটির নম্বর উল্লেখ করতে হবে, প্রত্যেক নাম্বারের পাশে যোগ্যতামান নির্দেশ করা আছে আপনাকে প্রযোজ্য অপসন বেছে নিতে হবে। কোয়ালিফাইং এক্সাম ফিল্ডে যথাযত অপশনে আপনাকে টিক্ মার্ক দিতে হবে যদি D.Ed/D.El.Ed থাকে তাহলে “Diploma in Education” বেছে নেবেন আর যদি B.El.Ed / B.Ed / B.A.Ed /B.Sc.Ed থাকে “Degree in Education” অপশনে টিক দেবেন। এরপর পরীক্ষা কেন্দ্রের পছন্দ জানাতে হবে, আপনাকে তিনটি চয়েস দিতে হবে যেটি বেশি পছন্দের সেটি প্রথমে দেবেন। এই সেকশনের শেষে রয়েছে প্রশ্নপত্রের ভাষা, ইংলিশ/ হিন্দির মধ্যে যেকোনো একটা বেছে নিতে হবে।

এবারে শিক্ষা সংক্রান্ত বিবরণ দিতে হবে। এখানে Qualification ট্যাব নিজে থেকেই পূরণ করা থাকবে। এবার “Pass Status” অপশনে জানাতে হবে আপনি শিক্ষাগত যোগ্যতাটি সম্পন্ন করেছেন না বর্তমানে পাঠরত, সম্পন্ন হয়ে থাকলে “Passed” আর বর্তমানে পাঠরত থাকলে “Appearing” অপসন বেছে নেবেন। “Course / Stream” অপশনে একটিই এন্ট্রি রয়েছে “Education/ Elementary Education etc” এটিকেই বেছে নিতে হবে। “Board/University” অপশনে আপনাকে যে বোর্ড বা ইউনিভার্সিটি থেকে শিক্ষাগত কোর্স সম্পন্ন করেছেন সেটি লিখে দিতে হবে। আপনি যদি আপনার বোর্ড বা ইউনিভার্সিটি না খুঁজে পান তাহলে ওই জায়গায় “OTHERS” লিখবেন এবং এটি লেখার জন্য যে নতুন এন্ট্রি ফিল্ড আসবে সেখানে আপনার বোর্ড বা ইউনিভার্সিটির নাম লিখে দেবেন। এর পরে কতসালে আপনি পাস্ করেছেন সেই সালটি বেছে নিতে হবে। রেজাল্ট মোডে “Percentage” করে মার্ক্স্ ডিটেলস এর ওবটেইন্ড মার্ক্স্ এ কত পেয়েছেন, টোটাল মার্কসে কততে পরীক্ষা হয়েছিল সেটি লিখবেন আর আপনার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী পার্সেন্টেজে অফ মার্কস অটো ক্যালকুলেট হয়ে যাবে। এরপরে আপনি যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (কলেজ) থেকে পাস্ করেছেন সেখানকার পিন কোড উল্লেখ করুন। সিকিউরিটি পিন অপশনে যেমন ভাবে ক্যাপচা কোড দেখানো হয়েছে সেরকম ভাবে লিখুন (বড় হাতের হরফ/ ছোট হাতের হরফ যেমন ভাবে আছে লিখে দেবেন)। শেষে ক্লিক করুন সাবমিটে। আগের মতোই আবার মিলিয়ে নেওয়ার পালা “Parameters checklist to be verified” সেক্শনে সমস্ত চেকবক্সে টিক্ মার্ক দিতে হবে। শেষে ডিক্লারেশনের “I Agree” অপশনে টিক্ মার্ক দিয়ে ফাইনাল সাবমিটে ক্লিক করুন।

স্ক্যান করা ছবি আর সই আপলোড

ছবি ও সই আপলোড করার আগে বিজ্ঞপ্তিতে বলে দেওয়া মাপে ছবি ও সই আলাদা করে সেভ করে রাখতে হবে, এই ব্যাপারে কিছু নির্দেশ নিচে দেওয়া হলো।

  • স্ক্যান করা ছবি ও সই jpg/jpeg ফরম্যাটে হতে হবে।
  • ছবির ফাইল সাইজ 10KB থেকে 100KB এর মধ্যে হতে হবে।
  • সই এর ফাইল সাইজ 3KB থেকে 30KB এর মধ্যে হতে হবে।
  • ছবির আয়তন 3.5(width) * 4.5(height) সেমি হতে হবে।
  • সই এর আয়তন 3.5(width) * 1.5(height) সেমি হতে হবে।

“Upload Images” অপশনে ক্লিক করে আপনাকে ছবি আপলোড করতে হবে। “Upload Images” অপশনে ক্লিক করার পর যে পেজ খুলবে সেখানে Photograph ও Signature এর পাশে থাকা Browse অপশনে ক্লিক করে সেভ থাকা ছবি ও সই এর ফাইল আলাদা করে বেছে নিতে হবে। পাশে থাকা ডিসপ্লে অপশনে আপনি ছবি ও সই দেখতে পাবেন, ছবি ও সই দেখানো ঠিক থাকলে সিকিউরিটি পিন দিন এবং “I have verified Uploaded Images carefully” অপশনে ক্লিক করে “UPLOAD” বাটনে ক্লিক করুন। “Do you wish to Upload Images Finally” আপলোডিং সফল হলে আপনি দেখতে পাবেন “All selected images uploaded successfully..!!” এখন OK তে ক্লিক করুন। এর পরের ধাপ টাকা জমা করা।

পরীক্ষার ফী প্রদান

এই ধাপে আপনাকে সিটেট পরীক্ষার ফী জমা করতে হবে, পরীক্ষার ফী কত জমা করতে হবে সেটি নির্ভর করে আপনার ক্যাটাগরি ও কোন পেপার পরীক্ষা দেবেন তার ওপরে। আপনাকে কত পেমেন্ট করতে হবে সেটি সিস্টেম নিজে থেকেই দেখাবে। এই পেমেন্টের ধাপে “Pay Examination Fee” অপশনে ক্লিক করুন এবং পেমেন্ট মোড বেছে নিন ■ অনলাইন পেমেন্ট অথবা ■ রিয়েল টাইম ই-চালান। এখানে উদাহরণসরূপ অনলাইন পেমেন্ট এর কথা বলা হবে। পেমেন্ট মোড থেকে অনলাইন পেমেন্ট অপশনে ক্লিক করে Proceed for Payment লিংকে ক্লিক করুন। “Are you sure you want to go for Fee Payment ?” আপনি OK তে ক্লিক করবেন। “Any Debit Card / Credit Card ?” অপশনে ক্লিক করে Proceed for Payment লিংকে ক্লিক করুন। পছন্দ মতো ডেবিট / ক্রেডিট কার্ড অপসন ব্যবহার করে কার্ড নম্বর / এক্সপায়ারি ডেট মাস ও বছর / সিভিভি কোড (এটি কার্ডের পিছনে পাবেন তিন সংখ্যার হয়ে থাকে) / কার্ড হোল্ডারের নাম লিখে মেক পেমেন্ট অপশনে ক্লিক করুন। আপনার ব্যাঙ্কের সাথে সংযুক্ত থাকা মোবাইলে ওটিপি আসবে সেটি নির্দিষ্ট জায়গাতে লিখে মেক পেমেন্ট অপশনে ক্লিক করুন সঙ্গে সঙ্গেই আপনার একাউন্ট থেকে টাকা পেমেন্ট সম্পন্ন হয়ে যাবে এবং তারপরই আপনি কনফার্মেশন পেজ ডাউনলোড করতে পারবেন।

কনফার্মেশন পেজ ডাউনলোড ইমেল ও মোবাইল নম্বর ভেরিফিকেশন

ফী জমা করার পর সিটেট অনলাইন আবেদনের সমস্ত ধাপ প্রায় সম্পন্ন হয়ে যায়। এরপর আপনাকে বাঁ দিকের “Download Confirmation Page” লিংকে ক্লিক করে সিটেট আবেদনের কনফার্মেশন পেজ ডাউনলোড করে নিতে হবে। এছাড়াও আপনি “Email Confirmation Page” অপশনে ক্লিক করে কনফার্মেশন পেজটি আপনার ইমেল এ পেতে পারেন তবে তার আগে আপনাকে আপনার ইমেলটি ভেরিফাই করে নিতে হবে, ইমেল ছাড়াও আপনার মোবাইল নম্বর ভেরিফিকেশন করে নিতে হবে।

পশ্চিমবঙ্গ পুলিশে ৮৪১৯ কনস্টেবল – wbprb.applythrunet.co.in

কনস্টেবল পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ নিয়োগ পর্ষদ। কেবলমাত্র পুরুষ প্রার্থীরাই এই কনস্টেবল পদের জন্য আবেদন করতে পারবেন। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লিখিত যোগ্যতামান থাকা যে কেউই এই পদে আবেদন করতে পারবেন এছাড়াও পশ্চিমবঙ্গ পুলিশে কর্মরত ন্যাশনাল ভলেন্টিয়ার ফোর্স, হোম গার্ড এবং সিভিক ভলেন্টিয়াররা যোগ্যতা সাপেক্ষে নিয়ম অনুযায়ী এই কনস্টেবল পদের জন্য আবেদন করতে পারেন। মহিলা প্রার্থীরা এই পোস্টে আবেদন করতে পারবেন না।

কনস্টেবল নিয়োগের ক্যাটাগরি অনুযায়ী শূন্যপদ

ক্যাটাগরি / সাব-ক্যাটাগরি শূন্যপদ
অসংরক্ষিত (জেনারেল)২৯৮২
অসংরক্ষিত (ই.সি)১৬৩৮
সিডিউলড কাস্ট ১১৪৯
সিডিউলড কাস্ট (এক্সেম্পটেড ক্যাটাগরি) ৭০৭
সিডিউলড ট্রাইব৩৪৫
সিডিউলড ট্রাইব (এক্সেম্পটেড ক্যাটাগরি)১৯৩
ওবিসি – এ ৬২২
ওবিসি – এ (এক্সেম্পটেড ক্যাটাগরি)৩১১
ওবিসি – বি ২৬১
ওবিসি – বি (এক্সেম্পটেড ক্যাটাগরি)২১১
মোট শূন্যপদ >৮৪১৯

বেতনক্রম – পে স্কেল ৫৪০০ – ২৫২০০ টাকা (পে ব্যান্ড ২) + গ্রেড পে ২৬০০ টাকা।

কনস্টবল পদে যোগ্যতামান

  • নাগরিকত্ব – আবেদনকারীকে ভারতীয় নাগরিক হতে হবে।
  • বয়সসীমা – ০১/০১/২০১৯ অনুযায়ী ১৮ থেকে ২৭ বছর। বয়সের উর্দ্ধসীমাতে ছাড় রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের এসসি ও এসটি দের জন্য ৫ বছর, ওবিসি দের জন্য ৩ বছর। শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গ পুলিশে কর্মরত ন্যাশনাল ভলান্টিয়ার ফোর্স ও হোম গার্ড দেড় সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বয়সের ছাড় আছে। সিভিক ভলান্টিয়ার দের কোনো বয়সে ছাড় নেই। মাধ্যমিক পরীক্ষা বা সমতুল অ্যাডমিট কার্ড বা সার্টিফিকেটে উল্লিখিত জন্মতারিখ বয়সের প্রমান হিসাবে গণ্য হবে।
  • শিক্ষাগত যোগ্যতা – আবেদনকারীকে পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ বা সমতুল্য বোর্ড থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষা পাস্ করে থাকতে হবে।
  • ভাষা – আবেদনকারীকে বাংলা লিখতে, পড়তে এবং বলতে জানতে হবে তবে কালিম্পং জেলা ও দার্জিলিং জেলার হিল সাব ডিভিশনের স্থায়ী বাসিন্দাদের এই নিয়মে ছাড় আছে West Bengal Official Language Act, 1961 এ বর্ণিত নিয়ম অনুযায়ী।

দৈহিক মাপযোগের মান

  • সব ধরণের প্রার্থীদের (রাজবংশী, গোর্খা, গাড়োয়ালী ও সিডিউলড ট্রাইব বাদে) দৈহিক মাপযোগের মান কমপক্ষে
    • উচ্চতা (খালিপায়ে) – ১৬৭ সেমি
    • ওজন – ৫৭ কেজি
    • বুকের ছাতি না ফুলিয়ে ৭৮ সেমি আর ৫ সেমি ফুলিয়ে ৮৩সেমি।
  • রাজবংশী, গোর্খা, গাড়োয়ালী ও সিডিউলড ট্রাইব দের জন্য দৈহিক মাপযোগের মান কমপক্ষে
    • উচ্চতা (খালিপায়ে) – ১৬০ সেমি
    • ওজন – ৫৩ কেজি
    • বুকের ছাতি না ফুলিয়ে ৭৬ সেমি আর ৫ সেমি ফুলিয়ে ৮১ সেমি।

কনস্টেবলের নিয়োগ পরীক্ষা পদ্ধতি

প্রিলিমিনারি লিখিত পরীক্ষা – আবেদনকরা প্রার্থীদের প্রারম্ভিক লিখিত পরীক্ষাতে বসতে হবে। MCQ ধরনের ১ ঘন্টার পরীক্ষা হবে থাকবে ১০০নম্বর। প্রশ্নপত্র হবে বাংলা ও নেপালিতে। পরীক্ষাতে নেগেটিভ মার্কিং থাকবে, প্রতি ভুল উত্তরের জন্য ১/৪ মার্ক কেটে নেওয়া হবে। প্রারম্ভিক পরীক্ষাতে কত পেলে পাস্ করে নিয়োগ প্রক্রিয়ার পরের ধাপে যাওয়া যাবে সেটি নিয়োগ পর্ষদ ঠিক করবে। প্রারম্ভিক পরীক্ষাতে প্রাপ্ত নম্বর চূড়ান্ত মেধাতালিকা তৈরী করতে বিবেচনা করা হবে না। প্রারম্ভিক পরীক্ষার বিষয়গুলি নিচে দেওয়া হলো।

সাধারণ সচেতনতা এবং সাধারণ জ্ঞান৫০ নম্বর
প্রাথমিক গণিত (মাধ্যমিক মান)৩০ নম্বর
রিসনিং (যুক্তি)২০ নম্বর

শারীরিক মাপযোগের পরীক্ষা (PMT) – প্রারম্ভিক লিখিত পরীক্ষাতে উত্তীর্ণ হওয়া প্রার্থীদের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লিখিত দৈহিক মাপযোগের মান ইলেকট্রিক মেসিনের মাধ্যমে যাচাই করা হবে। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লিখিত মান আপনার থাকলে আপনি এই ধাপে পাস করবেন।

শারীরিক সক্ষমতার পরীক্ষা (PET) – শারীরিক মাপযোগের পরীক্ষাতে উত্তীর্ণ হওয়া প্রার্থীদের শারীরিক সক্ষমতার পরীক্ষা নেওয়া হবে যেখানে ৬ মিনিট ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে ১৬০০ মিটার দৌড় সম্পন্ন করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দৌড় সম্পন্ন করলেই আপনি এই ধাপে উত্তীর্ণ হবেন। রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি আইডেন্টিফিকেশন ডিভাইস (RFID) এর মাধ্যমে প্রত্যেকের দৌড়ের সময় মাপা হবে।

চূড়ান্ত লিখিত পরীক্ষা – শারীরিক সক্ষমতার পরীক্ষাতে পাস্ করা প্রার্থীদের চূড়ান্ত লিখিত পরীক্ষাতে বসতে হবে এই পরীক্ষাতে পূর্ণমান থাকবে ৮৫ নম্বরের। MCQ ধরণের পরীক্ষা হবে। পরীক্ষার সময় ১ ঘন্টা। ইংরাজি ভাষার পরীক্ষা ছাড়া অন্যান্য প্রশ্নগুলি বাংলা ও নেপালিতে হবে। এই ধাপের পরীক্ষাতে নেগেটিভ মার্কিং থাকবে, প্রতি ভুল উত্তরের জন্য ১/৪ মার্ক কেটে নেওয়া হবে। চূড়ান্ত লিখিত পরীক্ষাতে কত পেলে পাস্ করে পরের নিয়োগ প্রক্রিয়ার পরের ধাপে যাওয়া যাবে সেটি নিয়োগ পর্ষদ ঠিক করবে। চূড়ান্ত লিখিত পরীক্ষার বিষয়গুলি নিচে দেওয়া হলো।

সাধারণ সচেতনতা এবং সাধারণ জ্ঞান২৫ নম্বর
ইংরাজি২৫ নম্বর
প্রাথমিক গণিত (মাধ্যমিক মান)২০ নম্বর
যুক্তি এবং যৌক্তিক বিশ্লেষণ১৫ নম্বর

ইন্টারভিউ – ইন্টারভিউতে রয়েছে ১৫ নম্বর। মেধার ভিত্তিতে খুব অল্প সংখক প্রার্থীদের ইন্টারভিউতে ডাকা হবে। ইন্টারভিউতে সাধারণ সচেতনতা ও প্রার্থীর পাবলিক সার্ভিস করতে পারার উপযুক্ততা যাচাই করা হবে। চূড়ান্ত লিখিত পরীক্ষা ও ইন্টারভিউয়ে প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধা তালিকা বানাবে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ নিয়োগ পর্ষদ।

চারিত্রিক পরিচিতি যাচাইকরণ – প্রাথমিকভাবে বেছে নেওয়া প্রার্থীদের একটি ভেরিফিকেশন রোল পূরণ করতে হবে যেটি নির্দিষ্ট অথরিটি মারফত খতিয়ে দেখা হবে।

মেডিকেল পরীক্ষা – প্রাথমিকভাবে বেছে নেওয়া প্রার্থীদের রাজ্য সরকার মনোনীত স্বাস্থ্যকেন্দ্রে মেডিকেল চেকআপ এর জন্য পাঠানো হবে। নির্বাচিত প্রার্থীকে ভালো মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের অধিকারী হতে হবে এবং কর্মক্ষমতা বিঘ্ন ঘটাতে পারে এমন কোনো বিকলাঙ্গতা থাকলে হবে না। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ, পশ্চিমবঙ্গ সরকার দ্বারা নির্ধারিত বিভিন্ন ধরণের মেডিকেল টেস্ট হবে। অনুমোদিত মেডিকেল অফিসার মেডিকেল ফিটনেস সার্টিফিকেট দেবেন।

কনস্টেবল পদে আবেদন ফী

কনস্টেবল পদে আবেদন করার জন্য অ্যাপ্লিকেশন এবং/অথবা প্রসেসিং ফী লাগবে। মোট ফী পেমেন্ট এর সঙ্গে ট্রানজাকশান চার্জ অতিরিক্ত লাগতে পারে। যারা অফলাইন মাধ্যমে পেমেন্ট করবেন তারা ইন্ডিয়া পোস্ট অথবা ইউনাইটেড ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার মাধ্যমে পেমেন্ট করতে পারবেন, অফলাইন ফর্মের এর ক্ষেত্রে চালান ফর্মের সঙ্গেই থাকবে। যারা অনলাইন ফর্ম ফিলাপ করবেন তারা ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড নেট ব্যাঙ্কিং এর মাধ্যমে পেমেন্ট করতে পারবেন।

ক্যাটাগরি আবেদন ফী প্রসেসিং ফী মোট ফী
পশ্চিমবঙ্গের জেনারেল / ওবিসি১৫০ টাকা ২০ টাকা ১৭০ টাকা
পশ্চিমবঙ্গের এসসি নেই ২০ টাকা ২০ টাকা
পশ্চিমবঙ্গের এসটি নেই ২০ টাকা ২০ টাকা

কনস্টেবল পদে আবেদন সংক্রান্ত তথ্যাবলি

অনলাইন এবং অফলাইন উভয় মাধ্যমেই আবেদন করা যাবে। ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ থেকে আবেদন করা যাবে এবং ৫ মার্চ ২০১৯ বৈকাল পাঁচটার মধ্যে আবেদন করতে হবে।

অফলাইন আবেদন পদ্ধতি

অফলাইনে আবেদন করার লিংক – http://offlinewbprb.applythrunet.co.in

অফ লাইনে ফর্ম জমা দেওয়ার উপায় – অফলাইনে করতে গেলে নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট লিংকে গিয়ে বেশ কিছু প্রয়োজনীয় তথ্য দেওয়ার পর ফর্ম ডাউনলোড করতে হবে প্রত্যেকটি ফর্মে ৮ সংখ্যার ইউনিক অ্যাপ্লিকেশন সিরিয়াল নম্বর থাকবে। ডাউনলোড করা অফলাইন ফর্ম ৭৫ জিএসএম সাদা A4 মাপের পেপারে প্রিন্ট নিতে হবে, ফর্মের সঙ্গেই ইউবিআই /ইন্ডিয়া পোস্ট এর চালান দেওয়া থাকবে। এর পর নির্দিষ্ট কিছু পোস্ট অফিস অথবা ইউনাইটেড ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার শাখার মাধ্যমে জমা করতে হবে, জমা দেওয়ার সময় ফী বাবদ ধার্য্য মূল্য ছাড়াও অতিরিক্ত সার্ভিস চার্জ লাগবে। ফর্মে নির্দিষ্ট স্থানে সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডের ৩.৫X৪.৫ মাপের ফটো আটকাতে হবে ও সই এর জায়গাতে সই করতে হবে। ফর্মের নির্দিষ্ট জায়গায় ফী জমা দেওয়ার পর পেমেন্ট রশিদের বোর্ড কপি টি সেটে দিতে হবে। পূরণ থাকা ও টাকা জমা দেওয়ার রশিদ সাঁটা ফর্ম ৩২X ২২ সেমি মাপের ফর্মে ভরে ভারতীয় পোস্ট এর মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ নিয়োগ পর্ষদে পাঠাতে হবে। ফর্মের সঙ্গে কোনো ডকুমেন্টস পাঠাতে হবে না। খামের ওপরে নিয়োগ সংক্রন্ত বিবরণ, এপ্লিকেশন সিরিয়াল নম্বর লিখে লিখে দেবেন। অফলাইন ফর্ম পাঠানোর ঠিকানা নিচে দেওয়া হলো –

To,
The Chairman,
West Bengal Police Recruitment Board,
Araksha Bhaban (5th Floor), Block– DJ,
Sector – II, Salt Lake City, Kolkata – 700 091 .

অনলাইন আবেদন পদ্ধতি

অনলাইনে আবেদন করার লিংক – https://wbprb.applythrunet.co.in

কনস্টেবল পদে অনলাইনে আবেদন পদ্ধতি অনেকটা সরল, একবারেই আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যায়। অনলাইনে মাধ্যমেই টাকা জমা করার সুবিধা রয়েছে এবং অনলাইনে আবেদন করলে ফর্ম বা ডকুমেন্টস জমা করতে হবে না। এবার জেনে নেওয়া যাক কিভাবে অনলাইনে ফর্ম ভরবেন। শুরু করার আগে কোন কোন জিনিস গুছিয়ে রাখলে সুবিধা হবে।

  • ছবি আর সই স্ক্যান করা
  • মোবাইল নম্বর ও ইমেল আইডি
  • অনলাইন পেমেন্ট এর জন্য ডেবিট /ক্রেডিট কার্ড ও ব্যাংক এর সঙ্গে সংযুক্ত ফোন ওটিপি আসার জন্য।

অনলাইন আবেদনের লিংক খুলে বর্তমানে চলতে থাকা নিয়োগের মধ্যে থেকে “The Post of Constables (Male) in WBP 2019” অপশনে ক্লিক করুন। এবারে ক্লিক করুন “Apply Online” অপশনে এবং তারপরেই যে পেজ খুলবে সেখানে “Sign up now” তে ক্লিক করুন নতুন করে রেজিস্ট্রেশন করার জন্য। আপনার পছন্দ মতো যোগাযোগের মাধ্যম হিসাবে মোবাইল অথবা ইমেল বেছে নিন এবং বাকি তথ্য পূরণ করে “Sign-Up” এ ক্লিক করুন। এবার আপনাকে কয়েকটি ধাপে তথ্য দিতে হবে ব্যক্তিগত তথ্য ও শিক্ষাগত যোগ্যতা, যোগাযোগ ও অন্যান্য বিবরণ। ছবি ও সই আপলোড করতে হবে। জমা দেওয়া তথ্য ও আপলোড করা ছবি সই মিলিয়ে নেবেন, পছন্দ মতো অপসন বেছে নিয়ে পেমেন্ট কমপ্লিট করুন। পেমেন্ট সফল হলে স্ক্রিনে সফল বার্তা দেখাবে এবং আবেদন ফর্মটি ডাউনলোড করার অপসন দেবে, নির্দিষ্ট লিংকে ক্লিক করে পূরণ করা ফর্ম ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে নেবেন, এবং ফর্মের পিডিএফ ফাইলটি সেভ করে রাখতে পারেন পরবর্তী প্রয়োজনের জন্য।

এই নিয়োগ সম্পর্কিত বিশেষ কিছু তথ্য

  • নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হওয়ার তারিখ বা তার আগেই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লিখিত যোগ্যতামানের অধিকারী হতে হবে। ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশনের সময় বা যে কোনো ধাপে যদি দেখাযায় উল্লিখিত যোগ্যতামান নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরের কোনো সময়ে অর্জিত তাহলে প্রার্থীপদ বাতিল করা হবে।
  • কালিম্পং জেলা ও দার্জিলিং জেলার হিল সাব ডিভিশনের সর্টলিস্টেড প্রার্থী দের ইন্টারভিউতে ডকুমেন্টস ভেরিফিকেশন এর সময় ডোমিসাইল সার্টিফিকেট জমা দিতে হবে।
  • ১৫ % সংরক্ষণ থাকছে ন্যাশনাল ভলান্টিয়ার ফোর্স ও হোম গার্ডস দের জন্য যারা পশ্চিমবঙ্গ পুলিশে ৩ বছরের চাকুরী সম্পন্ন করেছেন। নিয়োগের জন্য বাছাই তালিকাতে নাম থাকলে চাকুরীর মেয়াদের যথাযত প্রমান দেখতে হবে ইন্টারভিউ / ডকুমেন্টস ভেরিফিকেশন এর সময়।
  • ১০ % সংরক্ষণ থাকছে সিভিক ভলান্টিয়ার দের জন্য যারা পশ্চিমবঙ্গ পুলিশে ৩ বছরের চাকুরী সম্পন্ন করেছেন।
  • ০১/০১/২০১৯ অনুযায়ী সিভিক ভলান্টিয়ার, ন্যাশনাল ভলান্টিয়ার ফোর্স ও হোম গার্ডস দের চাকুরীর সময় মাপা হবে।
  • যারা এক্সেম্পটেড ক্যাটাগরি (ভূমিহীন/ প্রাক্তন জনগণনা কর্মী / নির্বাচন কর্মী / জনগণনা এনুমেরেটর) হিসাবে আবেদন করবেন তাদের পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শ্রম দপ্তর থেকে ইসু করা অরিজিনাল আইডি কার্ড যেখানে রেজিস্ট্রেশন নং ও NCO নম্বর উল্লেখ করা আছে সেটি দেখবেন ইন্টারভিউ এর আগে ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশন এর সময়, যদি নিয়োগের জন্য বাছাই তালিকাতে নাম থাকে।
  • ওবিসি – এ আর ওবিসি – বি প্রার্থীদের যোগ্য কতৃপক্ষ দ্বারা ০১/০১/২০১৯ এর আগের এক বছরের মধ্যে ইসু হওয়া রিভ্যালিডেটেড / রিনিউইড অথবা ফ্রেশ ওবিসি – এ / ওবিসি – বি সার্টিফিকেট জমা দিতে হবে যদি নিয়োগের জন্য বাছাই তালিকাতে নাম থাকে। ওবিসি প্রার্থীদের জাতিগত শংসাপত্র যদি ০১/০১/২০১৮ এর আগে ইসু হয়ে থাকে তাহলে সেটিকেও যোগ্য কতৃপক্ষ দ্বারা রিভ্যালিডেটেড / রিনিউইড করতে হবে। যে সমস্ত ওবিসি প্রার্থীরা রিভ্যালিডেটেড / রিনিউইড সার্টিফিকেট জমা দিতে পারবেন না তারা অসংরক্ষিত (জেনারেল) প্রার্থী বলে গণ্য হবেন এবং বোর্ড নিয়ম অনুযায়ী বিবেচনা করবে।
  • কোনো ওবিসি প্রার্থী আবেদন করার সময় সংরক্ষণের ক্ষমতা বলে বয়সের ছাড় নিয়ে ডকুমেন্টস ভেরিফিকেশন এর সময় রিভ্যালিডেটেড / রিনিউইড সার্টিফিকেট না জমা দিতে পারলে প্রার্থীপদ বাতিল বলে গণ্য হবে।
  • ফর্ম ফিলাপ ভুল হলে / অসম্পূর্ণ থাকলে / ফটোগ্রাফ ঝাপসা থাকলে আবেদন বাতিল বলে গণ্য হবে।
  • এই পদের জন্য কেবলমাত্র একবারই আবেদন করবেন, একাধিক আবেদন করলে আবেদন বাতিল করা হবে এবং যা ফী জমা করা হয়েছে তা বাজেয়াপ্ত করা হবে।
  • পূরণ করা ফর্মের তথ্যের সঙ্গে, ডকুমেন্টস ভেরিফিকেশনের সময় দেখানো নথির সঙ্গে মিল না থাকলে প্রার্থীপদ বাতিল করা হবে।
  • পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া অন্য রাজ্যের এসসি /এসটি / ওবিসি প্রার্থী দের, অসংরক্ষিত (জেনারেল) হিসাবে গণ্য নেওয়া হবে।
  • প্রারম্ভিক পরীক্ষা / শারীরিক মাপযোগের পরীক্ষা (PMT) / শারীরিক সক্ষমতার পরীক্ষা (PET) / চূড়ান্ত লিখিত পরীক্ষা / ইন্টারভিউতে যাতায়াত খরচ দেবে না পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ নিয়োগ পর্ষদ এবং নিয়োগ পরীক্ষার কোনো ধাপে কোনো প্রার্থীর ক্ষতি বা প্রার্থী আহত হলে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ নিয়োগ পর্ষদ দায়ী থাকবে না।
  • আবেদনকারী যদি সরকারি চাকুরী করেন তাহলে তাকে নো অবজেকশন সার্টিফিকেট দেখতে হবে যথা সময়ে।
  • পরীক্ষা হলে বা পরীক্ষা চত্বরে কোনো খারাপ আচরণ বা অসৎ উপায় অবলম্বন করার জন্য ভেন্যু ইন চার্জ যদি কোনো প্রার্থীর নামে রিপোর্ট করেন তাহলে তার প্রার্থীপদ বাতিল করা হতে পারে, ভবিষ্যতে পরীক্ষা দেওয়া থেকে / নিয়োগ প্রক্রিয়া থেকে বহিস্কার করা হতে পারে অথবা অপরাধী হিসাবে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে সবটাই পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ নিয়োগে পর্ষদের বিবেচনার ওপরে নির্ভর করবে।
  • শারীরিক মাপযোগের পরীক্ষা (PMT) এর সময় কেউ যদি সন্তুষ্ট না হন (যোগ্যতা মান থাকা সত্বেও বাদ যান) তাহলে নিয়োগ পর্ষদের চেয়ারপার্সন এর কাছে লিখিত ভাবে আপীল করতে পারেন এবং এই আবেদন শারীরিক মাপযোগের পরীক্ষার দিনই করতে হবে, পরে করলে গণ্য হবে না। নিয়োগ পরীক্ষার যেকোনো ধাপে এমনকি ইন্টারভিউয়ের সময় পুনরায় উচ্চতা মাপা হতে পারে এক্ষেত্রে বোর্ডের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত।
  • প্রার্থীদের থেকে মোবাইল নম্বর ও ইমেল আইডি সংগ্রহ করা হয় বোর্ড যোগাযোগ করবে বলে, নিয়োগ প্রক্রিয়া চলাকালীন কোনো কিছু জানানোর জন্য এছাড়া আর কিছু নয়। পর্ষদ কোনো ভাবেই পুনরায় আবেদনকারীর থেকে কোনোপ্রকার ব্যক্তিগত তথ্য / অতিরিক্ত ফী চাইবে না বা নিয়োগ পর্ষদের সঙ্গে সংযুক্ত বা সংযুক্ত নন এমন কোনো সরকারি অফিসারকে টাকা দেওয়ার কথা বলবে না। এরকম কোনো ঘটনা ঘটলে নথিগত / ইলেক্ট্রনিক প্রমান সহ সদস্য, পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ নিয়োগ পর্ষদ এর কাছে রিপোর্ট করুন।
  • অনলাইন আবেদনকারীদের কোনো অ্যাডমিট কার্ড ডাকযোগে পাঠানো হবে না, ওয়েবসাইট থেকে ই-অ্যাডমিট কার্ড ডাউনলোড করে নিতে হবে।
  • অনলাইন ফর্ম ফিলাপ করতে / ফিলাপ করা ফর্ম ডাউনলোড করতে কোনো সমস্যা হলে সরকারি ছুটির দিন ছাড়া সোম থেকে শুক্রবার অফিস চলাকালীন সময়ে (সকাল ১০টা থেকে বৈকাল ৫টা ৩০ পর্যন্ত) আর শনিবার (সকাল ১০টা থেকে বৈকাল বেলা ২টো পর্যন্ত) ফোনে যোগাযোগ করতে পারেন 7044108689 ও 7044109346 নাম্বারে অথবা যোগাযোগ করুন wbprbonline@applythrunet.co.in ইমেলের মাধ্যমে।
  • নিয়োগ প্রক্রিয়া সংক্রান্ত অফিসিয়াল আপডেট পেতে আবেদনকারীরা পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট www.wbpolice.gov.in দেখতে থাকুন।

এরকম তথ্য সমৃদ্ধ পোস্ট পেতে চাইলে কর্মবন্ধুর ওয়েবসাইট নিয়মিত খুলুন। কর্মবন্ধুর ফেসবুক পেজ এ লাইক, কমেন্ট, শেয়ার করে সক্রিয় থাকুন। এই পোস্ট ভালো লাগলে নিচের ফেসবুক পেজটি শেয়ার করুন।

সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ পুলিশে মাধ্যমিক পাসে ৮৪১৯ কনস্টেবল পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে, অনলাইনে আবেদন শুরু হয়ে…

Posted by KarmaBandhu – কর্মবন্ধু on Friday, 8 February 2019